DHL এ জব করার সময় অফিসের গাড়িতে রেডিও অন করে রাখতেন ড্রাইভার ভাই। Thursday আসলেই এফএম রেডিও তে বাজতে শুরু করতো, “আজ ফুর্তি ডে”। আর Thursday তে অফিসে লাঞ্চ থাকতো ” খিচুড়ি-গরুর মাংস”। এ যেন শুক্রবার “অফ ডে” কে আরো মজার করে দিত।

আমরা কম-বেশি সবাই ই এই শুক্রবার উপলক্ষে কত্ত প্ল্যান করি-বাসায় মজার ব্রেকফাস্ট খাওয়া, লাঞ্চ এ পোলাও-কোর্মা রান্না করা, ডিনার কোনো রেস্টুরেন্টে করার প্ল্যান করি বা সারাদিন বাইরে বেড়াতে যাবার প্ল্যান করি। বেশি করে ঘুমাবো এই প্ল্যান করি, রাত জেগে মুভি দেখার প্ল্যান করি। আরো কত কি!

কিন্তু এই শুক্রবার দিনটা যে কত বরকতময় সেটা কি আমরা জানি? আর জেনেও কি এই দিনটায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনার জন্য কিছু সময় রাখি?

শয়তান শুধু যেন এই লেখাটা পড়িয়েই চুপ করিয়ে না দেয় আমাদের। আমরা যেনো এই দিনটায় বেশি বেশি দু’য়া করি, আর পরকালের জন্য কিছু ভাল আমল যোগ করতে পারি। ইনশা আলাহ। আমীন।

জুমার দিন সূরা কাহাফ পড়ার ফযিলত:

রাসূল(সা.) বলেন,

যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে হেফাজত থাকবে। [ সহীহ মুসলিম : ৮০৯ ]

যে ব্যক্তি জুমার দিনে সুরা কাহফ পাঠ করবে, তার ঈমানের নূর এক জুমা থেকে অন্য জুমা পর্যন্ত বিচ্ছুরিত হতে থাকবে।”

[বায়হাকি, সুনানে সুগরা, হাদিস : ৬০৩ ]

যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পড়বে যেমনভাবে নাজিল করা হয়েছে, তাহলে সেটা তার জন্য নূর হবে তার স্থান থেকে মক্কা পর্যন্ত এবং যে সূরার শেষ দশ আয়াত পড়বে সে দাজ্জালের গণ্ডির বাইরে থাকবে এবং দাজ্জাল তার ওপর কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না। [সুনানে নাসাঈ: ১০৭২২ ]

তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি দাজ্জালকে পাবে, সে যেন সূরা কাহাফের শুরুর অংশ পড়ে। (মুসলিম, ২৯৩৭)

জুমার দিন সূরা কাহাফ পড়ার সময়:

সূরা কাহাফ জুমার রাত বা জুমার দিনে পড়া হবে। জুমার রাত শুরু হয় বৃহষ্পতিবার সূর্য ডোবা থেকে এবং শেষ হয় জুমাবারের সূর্য ডোবার মাধ্যমে। অতএব, সূরা কাহাফ পড়ার সময় হচ্ছে: বৃহষ্পতিবার সূর্য ডোবা থেকে শুরু করে জুমাবারের সূর্য ডোবা পর্যন্ত।