আমি একজন মুসলিম নারী। আমি আল্লাহর বিধানের কাছে পূর্ণমাত্রায় আত্মসমর্পণ করাতেই আমার সম্মান বলে বিশ্বাস করি।

নারী অধিকার কমিশন, আমার মত হাজারো মেয়ের চাওয়াকে পরোয়া না করেই গুটিকয়েক নারীবাদীদের অনৈতিক এবং অবাস্তব, সমাজ বিধ্বংসী প্রস্তাবনাকে নারী অধিকার এর দাবি বলে পেশ করা হয়েছে।

প্রথমত, একজন মুসলিম নারী হিসেবে আল্লহর বিধানের সাথে সাংঘর্সিক কোন কিছু আমার ইমান এর জন্যে হুমকি। উত্তরাধিকার সম্পদের বিধান এর ক্ষেত্রে কোনরকম ব্যতিক্রম মেনে নেওয়া আমার জন্যে অসম্ভব। এটা আমার অস্তিত্বের জন্যে হুমকি।

মুসলিম নারী হিসেবে সম্পদে আমি আমার ন্যায্যতা চাই। সমান সম্পদের নামে মিথ্যার বেড়াজালে আমার নিরাপত্তার ও স্বকীয়তার উপরে হুমকি এবং আমার উপরে চাপিয়ে দেওয়া জুলুম এর প্রতিবাদ জানাই।

দ্বিতীয়ত, শালীনতা আর নৈতিকতা শব্দ পরিহার করাকে আমি আমার জন্যে চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছি। নারী হলেও আমাকে নানান প্রয়োজনে ঘরের বাহিরে যেতে হয়। অশালীন আর অনৈতিক যেকোন আচরণকে বৈধতা দিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে আমার নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলা হবে।

তৃতীয়ত, পতিতাবৃত্তিকে শ্রম অধিকার হিসেবে প্রস্তাব করাকে আমি একজন নারী হিসেবে চরম অপমানজনক বলে মনে করছি। এই প্রস্তাবনায়, একজন নারীর দেহকে ভোগ্যপণ্য হিসেবে দেখা হয়েছে, টাকা দিয়ে কিনা খাবার যেমন।

সর্বোপরি, এসব অবাস্তব এবং লজ্জাজনক প্রস্তাবনাকে আমি সমাজ ধ্বংসকারী, পুরুষের দায়িত্ববোধকে ধ্বংসকারী, নারীর স্বকীয় মাতৃসুলভ আচরণকে ধ্বংসকারী এবং আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসকারী হিসেবে দেখছি।

এবং আমি বিশ্বাস করি এদেশের শতভাগ মুসলিম নারীর কারো পক্ষেই এই প্রস্তাবনাকে গ্রহণ করা সম্ভব নয়।